আদিবাসী: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৬৯ তে ভারত সরকারকে স্বাক্ষর করানোর প্রক্রিয়া ,যা কেউ আপনাকে বলবে না। জানুন বিস্তারিত ।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৬৯

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশন ১৬৯ তে ভারত সরকারকে স্বাক্ষর করানোর প্রক্রিয়া

পূর্ববর্তী পোস্টের থামনেল পূর্ববর্তী পোস্টে ফিরে যান

১. আন্তর্জাতিক চাপ ও সমর্থন

আন্তর্জাতিক সংস্থা, জাতিসংঘ এবং অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন ভারত সরকারকে কনভেনশন ১৬৯ স্বাক্ষরে চাপ দিতে পারে। পাশাপাশি, আদিবাসী সংগঠন এবং এনজিওরা কনভেনশনের গুরুত্ব তুলে ধরলে সরকারি পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত করা সম্ভব।

২. আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া

কনভেনশন ১৬৯ স্বাক্ষর করতে হলে সংসদীয় অনুমোদন এবং আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি দেশের আইন ও সংবিধানের সাথে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। এটি আদিবাসী জনগণের অধিকার রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয়।

৩. আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সমঝোতা

আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং সমঝোতার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ যখন ভারতকে উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে, তখন আদিবাসী অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে শর্ত দেয়া হতে পারে। আন্তর্জাতিক কোম্পানিগুলোরও সামাজিক দায়িত্বের অংশ হিসেবে আদিবাসী অধিকার রক্ষার উপর জোর দেয়া যেতে পারে।

৪. সামাজিক সচেতনতা

জনসাধারণের মধ্যে আদিবাসী অধিকার সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি হলে সরকার এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হতে পারে। মিডিয়ার মাধ্যমে এ বিষয়ে তথ্য তুলে ধরা হলে জনগণের সমর্থন বাড়বে।

উদাহরণ

চিলি, কানাডা এবং অস্ট্রেলিয়া আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার কনভেনশনে স্বাক্ষর করার মাধ্যমে আদিবাসীদের অধিকার সুরক্ষিত করেছে। এগুলো ভারতের জন্য অনুকরণীয় উদাহরণ হতে পারে।

উপসংহার: ILO কনভেনশন ১৬৯-এ স্বাক্ষর করলে ভারতের আদিবাসী জনগণের জমি অধিকার, সাংস্কৃতিক অধিকার, এবং সম্মানজনক জীবনযাত্রার অধিকার সুরক্ষিত হতো। এটি তাদের জীবনমান উন্নয়নেও সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারত।

Post a Comment

0 Comments